Logo

আন্তর্জাতিক    >>   ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রোক ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী: প্রতিবেদন মিডল ইস্ট আই-এর

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে  ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রোক ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী: প্রতিবেদন মিডল ইস্ট আই-এর

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রোক ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী: প্রতিবেদন মিডল ইস্ট আই-এর

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:

ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গ্রোক ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। গ্রোক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ৯৬ ঘণ্টায় ২,০০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে জমা দেওয়া এক লিখিত ঘোষণায় এমন একটি দাবি উঠে এসেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রধান ক্যামেরন স্ট্যানলি একটি ফেডারেল আদালতে দেওয়া ডিক্লারেশনে এসব তথ্য উল্লেখ করেন। মামলাটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের একটি জেলা আদালতে চলছে। সেখানে xAI–এর বিরুদ্ধে ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপল একটি মামলা করেছে।

ঘোষণায় বলা হয়, গ্রোক গভ. মডেল নামের একটি সংস্করণ যা এক্স এআই-এর বাণিজ্যিক প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি। এই মডেলটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি নাকি মাভিন স্মার্ট সিস্টেমএর (এমএসএস) সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে গোয়েন্দা বিশ্লেষণ, লক্ষ্য নির্ধারণ, প্রস্তুতি এবং নিয়োগসহ বিভিন্ন জাতীয় নিরাপত্তা মিশনে সহায়তা করছে।

স্ট্যানলির বক্তব্য অনুযায়ী, এমএসএস–এর কার্যপ্রবাহ ব্যবহার করে অপারেশন এপিক ফিউরি নামের অভিযানে মাত্র ৯৬ ঘণ্টায় ২,০০০টি মিউনিশন নিক্ষেপ করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। একই সঙ্গে ইরান সম্পর্কিত সংঘাতে বড় সংখ্যক হতাহতের দাবিও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

ঘোষণায় বলা হয়, এই সাক্ষ্য ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকারোক্তি হিসেবে এসেছে যে সামরিক অভিযানে ইলন মাস্কের এআই ব্যবহৃত হয়েছে। এদিকে, ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠিত এক্সএআই বলছে, তাদের গ্রোক প্রযুক্তি সামরিক ও কৌশলগত কাজে উন্নত কার্যকারিতা আনতে সাহায্য করছে। তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই, জাগোনিউজ