প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুলের অবস্থান, নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তার সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং দলের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা।মঙ্গলবার দুপুরে তারা নয়াদিল্লির ৭, লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে পৌঁছে সড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন তারা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সরকার মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংকে ঘটনাস্থলে পাঠায়। তিনি সেখানে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেন। একই সময়ে পুলিশ কংগ্রেস নেতাদের কর্মসূচি শেষ করার আহ্বান জানায় এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঘিরে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো পুলিশের অভিযানের জবাব চাইতেই তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ বিপন্ন করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত।
এদিকে কংগ্রেসের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাহুল গান্ধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে প্লাস্টিকের জিপ-টাই বিতরণ করছেন। পরে তারা নিজেদের হাত একসঙ্গে বেঁধে নেন, যাতে পুলিশ সহজে তাদের আটক করতে না পারে। একই সঙ্গে আরও বিক্ষোভকারী যাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে যেতে না পারেন, সেজন্য বিভিন্ন সড়কে অতিরিক্ত ব্যারিকেড স্থাপন করে পুলিশ।
কংগ্রেসের সংসদ সদস্য সৈয়দ নাসির হুসেইন বলেন, তাদের দাবি স্পষ্ট—প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং পুরো ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এর আগে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের অভিযানে আহত আন্দোলনকারীদের খোঁজ নেন।
উল্লেখ্য, সোমবার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে মিছিল করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হন। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, জাগোনিউজ।



















