মমতার ব্যানার্জীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ—বললেন, জীবনে কখনো এ ধরনের হামলার মুখে পড়েননি
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দলীয় এক কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভকারীদের ভিড়ের মধ্যে তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন মমতা। এ ঘটনায় গাড়িতে কাদা, জুতা ও পানির বোতল ছোড়ারও অভিযোগ উঠেছে।
হামলার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে ইট-পাথরের আঘাতে তার মাথা ফেটে যেতে পারত। এমনকি এতে তার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারত বলেও দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, পুলিশকে সামনে রেখেই বাইরে থেকে আসা কিছু অসামাজিক ব্যক্তি তার গাড়িতে হামলা চালিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে হালিশহরে তৃণমূলের এক কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার সময়। ওই কর্মীর স্বামী বীরজু কেওট পুলিশের হেফাজতে মারা গেছেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সেখানে বিক্ষোভকারীরা মমতার গাড়ি ঘিরে ধরেন বলে জানা গেছে।
মমতা অভিযোগ করেন, পরিস্থিতির সময় পুলিশ তাকে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি পুলিশ শুধু বিজেপিকে নিরাপত্তা দেয় বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য মতে, জীবনে এর আগে কখনো এ ধরনের হামলার মুখে পড়েননি।
ঘটনার সময় মমতার সঙ্গে থাকা লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেনও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে।
বিজেপির সম্পৃক্ততা অস্বীকার
মমতার গাড়িতে হামলার অভিযোগের পরই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিজেপি কোনোভাবেই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। তিনি হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।



















