বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, শেখ হাসিনা মানেই উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার প্রতিচ্ছবি: প্রাইমা হোসেন
প্রাইমা হোসেন:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম ও জাতীয় আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি একটি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণের পথ দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়।
শেখ হাসিনা মানেই অনেকের কাছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপান্তরের প্রতীক। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং অর্থনীতি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, শিক্ষা, বিদ্যুৎ ও নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সময়ে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের দিকগুলো হলো—
অর্থনৈতিক অগ্রগতি, দারিদ্র্য হ্রাস, মানব উন্নয়নে অগ্রগতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের বিস্তার, গ্রাম পর্যায়ে বিদ্যুৎ সুবিধার সম্প্রসারণ, পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল চালু, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিচিতি বৃদ্ধি।
বাংলাদেশের ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা যায় না। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা এবং জাতীয় অর্জনের ইতিহাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বহমান থাকবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতীয় অর্জনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।
বঙ্গবন্ধু জাতিকে দিয়েছেন স্বাধীনতার স্বপ্ন ও একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, আর শেখ হাসিনা উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করেছেন। ইতিহাসই শেষ পর্যন্ত মূল্যায়ন করবে তাঁদের ভূমিকা ও অবদান।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
প্রাইমা হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবিকা ও সংগঠক, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের কর্মী।



















