Logo

ইউএসএ নিউজ    >>   নিউইয়র্কে আওয়ামী ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র জ্যাকসন হাইটস: একজন হাসপাতালে ভর্তি, একজন গ্রেফতার

নিউইয়র্কে আওয়ামী ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র জ্যাকসন হাইটস: একজন হাসপাতালে ভর্তি, একজন গ্রেফতার

নিউইয়র্কে আওয়ামী ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র জ্যাকসন হাইটস: একজন হাসপাতালে ভর্তি, একজন গ্রেফতার

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে গতকাল ৩ জুলাই ২০২৬ সোমবার রাত ১০ টার দিকে আওয়ামী ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলেও তা একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সদস্য জাকির হোসেন রাহুল গুরুতর আহত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে নিউইয়র্ক পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় একজনকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য জ্যাকসন হাইটস এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পুলিশি তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এর পেছনের প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে।

এদিকে, ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হৃদয় এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেন, হামলাটি বহিরাগতরা চালিয়েছে। তারা বলেন, এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত শেষে প্রকৃত দায়ীদের পরিচয় প্রকাশ পাবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, ঘটনার পর গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির মুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ কয়েকজন নেতা বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক মতভেদকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্য সংঘর্ষের এ ঘটনা নিয়ে কমিউনিটির সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে সব পক্ষের সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি। পুলিশের তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।