Logo

ইউএসএ নিউজ    >>   আদালতের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত! ভোটের দুদিন আগে থমকে গেল সব প্রস্তুতি: ওসমান চৌধুরীর মামলায় ২৩ অক্টোবর আদালতের আদেশ, ৫ নভেম্বর শুনানি | নির্বাচন কমিশনের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আইনি জটিলতা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা

আদালতের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত! ভোটের দুদিন আগে থমকে গেল সব প্রস্তুতি: ওসমান চৌধুরীর মামলায় ২৩ অক্টোবর আদালতের আদেশ, ৫ নভেম্বর শুনানি | নির্বাচন কমিশনের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আইনি জটিলতা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা

আদালতের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত! ভোটের দুদিন আগে থমকে গেল সব প্রস্তুতি: ওসমান চৌধুরীর মামলায় ২৩ অক্টোবর আদালতের আদেশ, ৫ নভেম্বর শুনানি | নির্বাচন কমিশনের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আইনি জটিলতা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা

উত্তম কুমার সাহা, প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক, নিউইয়র্ক:

নির্বাচনের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। নির্ধারিত পাঁচটি ভোটকেন্দ্র, ৩৫ হাজারের বেশি ভোটার, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের দীর্ঘ প্রচার-প্রচারণা—অপেক্ষা ছিল কেবল ভোটগ্রহণের। কিন্তু ভোটের মাত্র দুই দিন আগে আদালতের এক আদেশে থমকে গেল নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের ২০২৬ সালের কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন। সাবেক কর্মকর্তা ওসমান এ চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান এবং তাঁকে সভাপতি পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ২৩ অক্টোবর নিউইয়র্কের কুইন্স কাউন্টি সুপ্রিম কোর্ট আজ ২৫ অক্টোবর ২০২৬ এর নির্বাচন পরিচালনার ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

আদালতের এ আদেশের পর শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। সংবাদ সম্মেলনে আদালতের আদেশ, মামলার অভিযোগ, নির্বাচনের ভবিষ্যৎ এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরবর্তী করণীয় নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাশের, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি এস এম এ রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ রুহুল আমিন সরকার।

এ সময় নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্য বদরুল এইচ খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন আজাদ, আহবাব চৌধুরী, মিঠু হামিদ ও মিয়া মোহাম্মদ দুলাল উপস্থিত ছিলেন। নিউইয়র্কের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্বাচন ও আদালতের আদেশসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, কুইন্স কাউন্টির নিউইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা মামলাটির সূচি নম্বর ৭৩২১৭৪/২০২৬। মামলার বাদী ওসমান এ চৌধুরী। বিবাদীদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকরপোরেটেড, সভাপতি এস এম এ রহমান ওরফে সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাশের।

আদালতের ২৩ অক্টোবরের আদেশে ২৫ অক্টোবর ২০২৬  নির্ধারিত নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, ব্যালট গণনা এবং নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যয়নের কার্যক্রম থেকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সাময়িকভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী কমিটির ২৮ আগস্টের সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর করা থেকেও বিবাদীদের বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

আদালত সংগঠনের মূল ভোটার রেজিস্ট্রি, সদস্যপদ আবেদনপত্র, চাঁদা পরিশোধের রেকর্ড, ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এসব নথি ধ্বংস করা যাবে না। আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনার, ট্রাস্টি, প্রতিনিধি এবং তাঁদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা ব্যক্তিদেরও সাময়িক নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।

মামলার সূত্রপাত বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী কমিটির গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে। ওই সিদ্ধান্তে ওসমান চৌধুরীর সাধারণ সদস্যপদ আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ওসমান চৌধুরী নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সাধারণ সদস্যপদের আবেদন এবং ২০ ডলার ফি জমা দিয়েছিলেন। আবেদন গ্রহণ ও অর্থ জমার বিষয়টি ২৬১৬০৭ নম্বর রসিদের মাধ্যমে স্বীকার করা হয়েছিল বলেও বাদীপক্ষের আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর পাঠানো প্রত্যাখ্যানপত্রে সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চলমান মামলা এবং গঠনতন্ত্রের নবম অনুচ্ছেদের ষষ্ঠ ধারাকে সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ওসমান চৌধুরীর অভিযোগ, অতীতে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনী অনিয়ম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার কারণেই তাঁর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এ সিদ্ধান্ত ছিল প্রতিশোধমূলক এবং এর মাধ্যমে তাঁকে ২০২৬ সালের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়েও কোনো চূড়ান্ত রায় আসেনি।

মামলাটি কেবল সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাদীপক্ষ বাংলাদেশ সোসাইটির গঠনতন্ত্র ও উপবিধির নবম অনুচ্ছেদের ষষ্ঠ ধারার বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করেছে। বাদীপক্ষের যুক্তি, সংশ্লিষ্ট বিধানটি নিউইয়র্কের প্রচলিত আইন ও জননীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সদস্যদের আইনি প্রতিকার চাওয়ার অধিকার সীমিত করে।

নিউইয়র্কের সিভিল প্র্যাকটিস ল অ্যান্ড রুলসের ৭৮ অনুচ্ছেদসহ সংশ্লিষ্ট বিধানের অধীনে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। বাদী আদালতের কাছে ২৮ আগস্টের সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত বাতিল, বিতর্কিত গঠনতান্ত্রিক বিধানকে অকার্যকর ঘোষণা, তাঁকে বৈধ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত বা পুনর্বহাল এবং সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতা স্বীকৃতির আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন বন্ধ রাখা, গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণ এবং মামলার খরচ ও আইনজীবীর ফি প্রদানের নির্দেশও চাওয়া হয়েছে।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুইন্স কাউন্টির নিউইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টের পার্ট ২৩, কক্ষ ১৪০-এ মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আদালতে হাজির হয়ে কেন আবেদনকারীর চাওয়া প্রতিকার মঞ্জুর করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে হবে। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে, সংশোধিত হবে নাকি প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমান আদেশে ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়নি। তাঁকে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়নি। একইভাবে বাংলাদেশ সোসাইটির গঠনতন্ত্রের বিতর্কিত ধারাটি অবৈধ ঘোষণা করেননি আদালত। বরং মামলার শুনানি ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সোসাইটির এবারের নির্বাচনে ৩৫ হাজার ২১৫ জন নিবন্ধিত ভোটারের অংশগ্রহণের কথা ছিল। পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল। বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন সেলিম-আলী প্যানেল এবং সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন কুনু-ফিরোজ প্যানেল।

দুটি প্যানেলের ৪২ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৪৩ জন প্রার্থী কার্যনির্বাহী পরিষদের ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। নির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব পালনের মেয়াদ ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। ভোটকে সামনে রেখে প্রার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় সভা, গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে আদালতের নির্দেশে সেই আয়োজন আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আদালতের হস্তক্ষেপ এবারই প্রথম নয়। ২০১৮ সালের নির্বাচন ঘিরেও ভোটার তালিকা, সদস্যপদ, নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আইনি বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান মামলার আবেদনে ওসমান চৌধুরী অতীতের নির্বাচনী কর্মকাণ্ড নিয়েও একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, অস্বাভাবিক হারে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফি নির্ধারণ, যথাযথ আবেদনপত্র ছাড়া সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং অন্যের সদস্যপদের চাঁদা পরিশোধের মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রভাবিত করার চেষ্টা।

২০১৮ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগে এক রাতে প্রায় ২৭ হাজার কথিত ভুয়া সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বাদীপক্ষ উত্থাপন করেছে। একই সঙ্গে উচ্চ মনোনয়ন ফি সাধারণ সদস্যদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগ বাদীপক্ষের বক্তব্য। কথিত ভুয়া সদস্য অন্তর্ভুক্তি কিংবা আর্থিক ও নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত বর্তমান সাময়িক আদেশে নেই।

আদালতের আদেশের পর নির্বাচন কমিশনের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের কেন্দ্রে ছিল ২৫ অক্টোবরের নির্বাচন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা, নির্বাচনের পরবর্তী সম্ভাব্য সময়সূচি এবং ভোটারদের অধিকার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাশের, সভাপতি এস এম এ রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ রুহুল আমিন সরকার।

নির্বাচন কমিশনের সদস্য বদরুল এইচ খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন আজাদ, আহবাব চৌধুরী, মিঠু হামিদ ও মিয়া মোহাম্মদ দুলালসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নিউইয়র্কের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।

নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে আদালতের এমন আদেশে দীর্ঘ প্রস্তুতির পর কীভাবে পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হবে, আদালতের নির্দেশের আলোকে কী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব এবং নির্বাচন পুনরায় আয়োজনের সম্ভাব্য প্রক্রিয়া কী হতে পারে—এসব বিষয় সামনে আসে। তবে আদালতের নতুন কোনো নির্দেশ ছাড়া পূর্বনির্ধারিত ২৫ অক্টোবরের নির্বাচন পরিচালনার সুযোগ নেই।

একদিকে সদস্যপদ ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিয়ে ওসমান চৌধুরীর আইনি লড়াই, অন্যদিকে হাজারো ভোটারের অংশগ্রহণে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের অপেক্ষা—দুইয়ের মাঝখানে আটকে গেছে বাংলাদেশ সোসাইটির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। আদালতের পরবর্তী শুনানিতে বিবাদীপক্ষ তাদের বক্তব্য ও আইনি যুক্তি উপস্থাপন করতে পারবে। এরপর আদালত প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞার আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন।

নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ হলেও আইনি লড়াই শেষ হয়নি। ব্যালটের বদলে আপাতত আদালতেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনের পরবর্তী পথ। এখন সবার নজর ৫ নভেম্বরের শুনানির দিকে।