গোপালগঞ্জে পরিকল্পিত গণহত্যার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
২০২৫ সালের ১৬ জুলাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমি গোপালগঞ্জে সংঘটিত হয় এক নৃশংস ও পরিকল্পিত গণহত্যা। “মার্চ টু গোপালগঞ্জ” নামে উস্কানিমূলক কর্মসূচির আড়ালে এই বর্বর হামলা চালায় জঙ্গি ও রাষ্ট্রদ্রোহী চক্র। বেসরকারি হিসেবে এই হামলায় প্রাণ হারান ১৫ জনেরও বেশি নিরস্ত্র সাধারণ মানুষ, আহত হন শতাধিক।
এই জঘন্য হামলার মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত অবৈধ শাসক ড. মোহাম্মদ ইউনূস। সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে তিনি তার মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে দিয়ে এই রক্তপাত ঘটান। এর আগেও ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িটি ধ্বংসে ব্যবহার করা হয় হাসনাত ও সার্জিস নামের দুই চিহ্নিত হামলাকারীকে। একই ব্যক্তিদের দিয়ে এবার বঙ্গবন্ধুর সমাধি ভাঙার ষড়যন্ত্র করেও ব্যর্থ হয় চক্রটি।
গোপালগঞ্জবাসীর দৃঢ় প্রতিরোধে জঙ্গিরা ও তাদের পৃষ্ঠপোষক সেনা-পুলিশ বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। ইতিহাসে ১৬ জুলাই হয়ে থাকবে গোপালগঞ্জবাসীর রক্তাক্ত প্রতিরোধের প্রতীক।
এই ঘটনার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, আওয়ামী পরিবার, সহযোগী অঙ্গসংগঠনসমূহ এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানবাধিকার, সাংবাদিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বিবৃতি প্রদান করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আবু বক্কার, প্রদীপ রঞ্জন কর, এম এ সালাম, হাকিকুল ইসলাম খোকন, রমেশ নাথ, জয়নাল আবেদীন, এ জি এম সাজ্জাদ হোসেন, শাবান মাহমুদ, মাহবুবুর রহমান মিলন, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, শাহ মোহাম্মদ বখতির আলী, এম এ করিম জাহাঙ্গীর, সোলেমান আলী, শওকত আকবর রিচি, ফারুক হুসাইন, ইসমাইল খান আনসারী, খুরশিদ আনোয়ার বাবলু, সাঈদুর রহমান সাঈদ, এম শাহজাহান বাবলু, জালাল উদ্দিন জলিল, গিয়াসউদ্দীন আহমেদ, সিরাজ উদ্দিন সরকার, টি. মোল্লা, হেলাল মাহমুদ, এবিএম সালেহ উদ্দিন, মো. নাসির, ওসমান গণি, সুবাস বড়ুয়া, বিশ্বজিৎ সাহা, আয়েশা আক্তার রুবি, আরিফুর রহমান আরিফ, রুমানা আক্তার, কায়কোবাদ খান, আকতার হোসেন, আসাফ মাসুক, শাহাদত হোসেন, ইকবাল হোসেন, জাকির হোসেন বাচ্চু, কামাল হোসেন, হুমায়ুন আহমেদ চৌধুরী, জিল্লুল করিম, ফিরোজ মাহমুদ, ফিরোজ আহমেদ কল্লোল, এবিএম মিজানুল হাসান, আবুল কাশেম ভূঁইয়া, শহিদুল ইসলাম, দেলওয়ার হোসেন মোল্লা, সোহেল চৌধুরী, জুয়েল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, একে চৌধুরী
নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান মুজিব, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, যুগ্ম সম্পাদক দুলাল বিল্লাহ, আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার
নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ চৌধুরী, আশরাফ উদ্দিন, শরিফ কামরুল হীরা, সাদেকুল বদরুজ্জামান পান্না
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল আহমেদ, সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কিবরিয়া জামান, যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা আতাউর রহমান তালুকদার, শারমিন তালুকদার, ছাত্রলীগের এম হাসান, হৃদয় মিয়া, গণেশ কীর্তনিয়া, সেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবু বক্কার তুষার, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, কবি ফজলুল কাদির
এছাড়াও প্রবাসী লেখক, গবেষক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, মানবাধিকার নেতা ও অ্যাক্টিভিস্টবৃন্দ এই প্রতিবাদ বিবৃতিতে সংহতি প্রকাশ করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই নৃশংস গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
তথ্য : সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন।



















