ব্রঙ্কসে ৯-১১ ভিকটিমদের স্মরণে বাংলাদেশি কমিউনিটির শ্রদ্ধাঞ্জলি
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি কমিউনিটির অঙ্গসংগঠনের অংশগ্রহণে ব্রঙ্কস বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে ৯/১১ ভিকটিমদের স্মরণে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি ইনক-এর উপদেষ্টা হাসান আলী। সঞ্চালনা করেন কাজী রবিউজ্জামান ও মো. শামিম মিয়া।
সভা শুরু হয় বিশ্ব শান্তি ও ৯/১১ ভিকটিমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়ার মাধ্যমে, যা পরিচালনা করেন ব্রঙ্কস বাংলাবাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব আবুল কাশেম ইয়াহিয়া। গীতা পাঠ করেন কবি সুধাংশু কুমার মণ্ডল। এরপর শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং দাঁড়িয়ে আমেরিকান জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ হামলার স্মৃতি তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোতাসিম বিল্লাহ তুষার পিক। ওই দিনের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর ন্যাথালিয়া ফার্নান্দেজ (ডিস্ট্রিক্ট-৩৪), প্রিসিঙ্কট ৪৩-এর চীপ কমান্ডিং অফিসার ইন্সপেক্টর তাউই থিয়েনথং, ক্যাপ্টেন ব্লানকো এবং কমিউনিটি নেতা হাজী আব্দুস শহীদ, শামিম আহমেদ, সামাদ জাকারিয়া, কাজী রবিউজ্জামান, বিজয় কৃষ্ণ সাহা, আশফাকুল হক চৌধুরী, রায়হান পারভেজ, দীপঙ্কর দেব, সুরজিত কিশোর দাস চৌধুরী, শফিকুর রহমান প্রমুখ।
বক্তব্য রাখেন মাহবুব আলম, আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু, এম এ মুহিত, মোহাম্মদ শামিম মিয়া, আব্দুল চৌধুরী জাকি, এ রব দুলা মিয়া, কামরুল হাসান, খলিলুর রহমান, সাইদুর রহমান লিংকন, নূরে আলম জিকু, শ্যামল কান্ত চন্দ, জামাল উদ্দিন আহমেদ, কামরুজ্জামান, মেসবাহ আহমেদসহ প্রবাসী সমাজের নানা স্তরের প্রতিনিধিরা।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজুর আহমেদ, আবু জাফর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, আব্দুল মজিদ, এম এ নাসির, জাহানগীর আলম। এছাড়া অংশ নেন বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক, মৌলভীবাজার জেলা সমিতি, গ্রেটার সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতি, সম্মিলিত বরিশাল বিভাগবাসী, কুমিল্লা সোসাইটি, সাজুফতা সাহিত্য ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, ৯/১১ কেবল আমেরিকার জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্য একটি শোকাবহ দিন। এ দিন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের অঙ্গীকার পুনর্নবায়ন করা জরুরি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা। সূত্র : কাজী রবিউজ্জামান



















