হুথিদের ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে ২২ জন আহত
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাতে শহরে ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ড্রোনের আঘাতে অন্তত ২২ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বুধবার লোহিত সাগর উপকূলের শহর এলাতে ড্রোনটি বিস্ফোরিত হয় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটি আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে।
হুথি গোষ্ঠী এই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে আল জাজিরাকে বলেন, একাধিক ড্রোন ব্যবহার করে আমরা ইসরায়েলের উম্ম আল-রাশরাশ এবং বীর আল-সাবা (বর্তমানে বিয়ারশেবা) এলাকায় আঘাত হেনেছি এবং আমাদের লক্ষ্য সফল হয়েছে।
আল জাজিরার সাংবাদিক হামদাহ সালহুত জানিয়েছেন, এলাত এর আগেও হুথিদের হামলার শিকার হয়েছে এবং ইসরায়েল এখনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণ খুঁজছে। ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড আদম জানিয়েছে, দুইজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন এবং বাকিদের আঘাত মাঝারি বা হালকা। পুলিশ বিস্ফোরণের স্থানে জনগণকে না যেতে এবং কোনো ধ্বংসাবশেষ স্পর্শ না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইসরায়েলি শহরে যেকোনো হামলার জবাব হুথিদের জন্য হবে বেদনাদায়ক। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজও হুথিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যে ইসরায়েলের ক্ষতি করবে, তাকে সাতগুণ শাস্তি দেওয়া হবে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হুথিরা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে এবং লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সম্পর্কিত জাহাজগুলোতেও হামলা করছে। হুথিরা জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি হলে তারা হামলা বন্ধ করবে। গাজায় জাতিসংঘের অনুসন্ধান প্যানেল অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েল ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী সানাও রয়েছে। সম্প্রতি ইসরায়েলের বিমান হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী আহমেদ গালেব আল-রাহাউই এবং তার মন্ত্রিসভার প্রায় অর্ধেক নিহত হন। হুথিরা এর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।সূত্র: আল জাজিরা



















